১।আয়তন- ৩০০ ব:কি:মি:।
২।জনসংখ্যা- ২,২৮,৬৪৭ জন।
৩।ঘনত্ব- ৭৬২ জন (প্রতি ব:কি:মি:)।
৪।নির্বাচনী এলাকা- ২১৫ গোপালগঞ্জ- ১, ২১৬ গোপালগঞ্জ-২
৫।খানা/ইউনিয়ন- ১৪টি।
৬।মৌজা-১৫৩ টি।
৭।সরকারি হাসপাতাল- ১টি।
৮।স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ক্লিনিক- ০৯টি।
৯।পোস্ট অফিস- ১৩টি।
১০।নদ-নদী- ০৩টি।
১১।হাটবাজার- ১৭টি।
১২।ব্যাংক- ০৮টি
(খ) উপজেলার পটভূমি-
কাশিয়ানী এককালের একটি বিখ্যাত গ্রাম। এখন গোপালগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। এটি ৩০০১৪’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০ ১২’পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। কাশিয়ানী-ভাটিয়াপাড়া রেলপথ এই উপজেলার যোগাযোগের একটি বড় মাধ্যম। মধুমতি নদী এবং বারাশিয়া নদীও এই উপজেলার মূখ্য নৌপথ। নওয়াব আলীবর্দি খাঁর আমলে এই গ্রামের জমিদার ছিলেন বাবু দর্পনারায়ণ সেন। নিজ গ্রামে তিনি স্থাপন করেছিলেন কাশিনাথ দেবের ৫টি মূর্তি সহ ৫টি সুদৃশ্য মন্দির। কাশিনাথ দেবের নামানুসারে দর্পনারায়ণ সেনের গ্রামটির নাম হয়ে যায় কাশিয়ানী। এই গ্রামের প্রায় সকল বর্ণ ও গোত্রের হিন্দুরা বাস করতো। ব্রিটিশ আমলের প্রখ্যাত জজ বৈদ্যনাথ সেন,আয়ুর্বেদশাস্ত্রী কবিরাজ কৈলাস চন্দ্র সেন ছিলেন এই গ্রামের অধিবাসী। ১৯০২ সালে তৎকালীন জমিদার গিরীশচন্দ্র সেন কাশিয়ানীতে একটি স্কুল স্থাপন করেন। তাঁর নামানুসারে এই স্কুলের নাম হয় জি.সি.হাইস্কুল। গোপালগঞ্জ জেলায় আসার আগে এটি একসময় যশোর জেলার অন্তর্গত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় কাশিয়ানীতে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি অপারেশন পরিচালিত হয়।
(গ) উল্লেখযোগ্য স্থান - ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ী, ভাটিয়াপাড়া মুক্তিযোদ্ধা বদ্ধভূমি।
No comments:
Post a Comment