দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের ক্ষেত, হাওড়-বাওড় ও নদ-নদী বিধৌত প্রকৃতির এক অনন্য লীলাভূমি গোপালগঞ্জ জেলা। এ জেলার টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালী জাতি ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিল আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সে স্বপ্ন বুকে জড়িয়ে গোপালগঞ্জের মাটিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এই গোপালগঞ্জেরই কৃতিসন্তান। গোপালগঞ্জ জেলা ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত।গোপালগঞ্জের উত্তরে ফরিদপুর জেলা, দক্ষিণে পিরোজপুর ও বাগেরহাট জেলা, পূবে মাদারীপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে নড়াইল জেলা। গোপালগঞ্জের আয়তন ১৪৮৯.৯২ বর্গকিমি: এবং জনসংখ্যা ১১.৬৫ লক্ষ (প্রায়) । বর্তমানে শেখ ইউসুফ হারুন জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন।এই ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে গোপালগঞ্জ জেলা সংশ্লিষ্ট যাবতীয় তথ্য উপাত্ত জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারব বলে আমরা আশা করি। পাশাপাশি এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক সহ অন্যান্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে টেলিফোন এবং ই-মেইলে যোগাযোগেরও সুযোগ থাকছে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় এবং দেশে ই-গভর্ন্যান্স কার্যক্রম বাস্তবায়নে আমাদের এ উদ্যোগ সহায়ক বলে আমরা আশা করি।

Monday, August 30, 2010

কাশিয়ানী উপজেলা

গোপালগঞ্জ  কাশিয়ানী উপজেলা
                                                                                   
১।আয়তন- ৩০০ ব:কি:মি:।
২।জনসংখ্যা- ২,২৮,৬৪৭ জন।
৩।ঘনত্ব- ৭৬২ জন (প্রতি ব:কি:মি:)।
৪।নির্বাচনী এলাকা- ২১৫ গোপালগঞ্জ- ১, ২১৬ গোপালগঞ্জ-২
৫।খানা/ইউনিয়ন-       ১৪টি।
৬।মৌজা-১৫৩ টি।
৭।সরকারি হাসপাতাল- ১টি।
৮।স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ক্লিনিক- ০৯টি।
৯।পোস্ট অফিস- ১৩টি।
১০।নদ-নদী- ০৩টি।
১১।হাটবাজার- ১৭টি।
১২।ব্যাংক- ০৮টি

(খ) উপজেলার পটভূমি-

কাশিয়ানী এককালের একটি বিখ্যাত গ্রাম। এখন গোপালগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। এটি ৩০১৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯ ১২পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। কাশিয়ানী-ভাটিয়াপাড়া রেলপথ এই উপজেলার যোগাযোগের একটি বড় মাধ্যম। মধুমতি নদী এবং বারাশিয়া নদীও এই উপজেলার মূখ্য নৌপথ। নওয়াব আলীবর্দি খাঁর আমলে এই গ্রামের জমিদার ছিলেন বাবু দর্পনারায়ণ সেন। নিজ গ্রামে তিনি স্থাপন করেছিলেন কাশিনাথ দেবের ৫টি মূর্তি সহ ৫টি সুদৃশ্য মন্দির। কাশিনাথ দেবের নামানুসারে দর্পনারায়ণ সেনের গ্রামটির নাম হয়ে যায় কাশিয়ানী। এই গ্রামের প্রায় সকল বর্ণ ও গোত্রের হিন্দুরা বাস করতো। ব্রিটিশ আমলের প্রখ্যাত জজ বৈদ্যনাথ সেন,আয়ুর্বেদশাস্ত্রী কবিরাজ কৈলাস চন্দ্র সেন ছিলেন এই গ্রামের অধিবাসী। ১৯০২ সালে তৎকালীন জমিদার গিরীশচন্দ্র সেন কাশিয়ানীতে একটি স্কুল স্থাপন করেন। তাঁর নামানুসারে এই স্কুলের নাম হয় জি.সি.হাইস্কুল। গোপালগঞ্জ জেলায় আসার আগে এটি একসময় যশোর জেলার অন্তর্গত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় কাশিয়ানীতে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি অপারেশন পরিচালিত হয়।
 

  (গ) উল্লেখযোগ্য স্থান - ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ী, ভাটিয়াপাড়া মুক্তিযোদ্ধা বদ্ধভূমি।

No comments:

Post a Comment